নিউজ ডেস্ক || ত্রিপুরার রাজনীতিতে আসন্ন অটোনমাস ডিসট্রিক্ট কাউন্সিল (এডিসি) নির্বাচনকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। মঙ্গলবার ডেমছড়া ও কচুছড়া এলাকার প্রায় ২১৫ জন ভোটার তিপ্রা মথা ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করেছেন বলে দাবি করেছে বিজেপি। এই ঘটনা জনজাতি অধ্যুষিত এলাকায় দলীয় প্রভাব বিস্তারের লড়াইকে আরও তীব্র করেছে।
এডিসি নির্বাচনের প্রাক্কালে জনজাতি এলাকায় রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে টানাপোড়েন চলছে। তিপ্রা মথা, যা জনজাতি স্বায়ত্তশাসনের দাবিতে গড়ে উঠেছে, সেখানে ভাঙনের অভিযোগ উঠেছে। বিজেপির যোগদান সভায় মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা. মানিক সাহা, মন্ত্রী টিংকু রায় ও সুধাংশু দাস সহ নেতৃবৃন্দ নবাগতদের স্বাগত জানিয়েছেন। বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা বলেন, তিপ্রা মথার শাসনকালে জনজাতি এলাকায় প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি।
দেববর্মা আরও দাবি করেন, “মানুষ দীর্ঘদিন তিপ্রা মথার সঙ্গে থেকেও কোনও বাস্তব উন্নয়ন চোখে দেখতে পাননি। জনজাতিদের আর্থ-সামাজিক মানোন্নয়নে তারা ব্যর্থ হয়েছে।” নিজের উপর হামলার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাকে খুন করে যদি ত্রিপুরার উন্নতি হয়, তাহলে আমি একশো বার হাসতে হাসতে প্রাণ দিতে রাজি।” বিজেপি নেতৃত্বের মতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী সাহার নেতৃত্বে রাজ্যে পরিকাঠামো উন্নয়ন ও জনজাতি কল্যাণ প্রকল্পগুলি মানুষের আস্থা বাড়িয়েছে।
এই ঘটনা এডিসি এলাকায় বিজেপির সংগঠনকে শক্তিশালী করেছে বলে দলটি মনে করে, এবং তারা নির্বাচনে সরকার গঠনের দাবি করছে। তিপ্রা মথার তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, আগামী দিনে দলবদলের ঘটনা আরও বাড়তে পারে, যা জনজাতি রাজনীতির গতিপথকে প্রভাবিত করবে।


