নিউজ ডেস্ক || ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা রাজ্যে খুন-সন্ত্রাসের জন্য কমিউনিস্টদের দায়ী করে বিজেপির জনজাতি কল্যাণ নীতির প্রশংসা করেছেন। সিপাহিজলা জেলার দক্ষিণ তৈবান্দালে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় তিনি বলেন, বিজেপিকে আটকানোর ক্ষমতা কারও নেই এবং দলটি ঘরে ঘরে পৌঁছে জনজাতিদের উন্নয়ন করবে।
জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আজ এখানে বিশাল সংখ্যায় মানুষের উপস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে ২০২৬-এ অটোনমাস ডিস্ট্রিক্ট কাউন্সিল নির্বাচনে কম্পন শুরু হয়ে গেছে।” তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের উন্নয়ন মডেল ‘হিরা’-র উল্লেখ করে বলেন, আগের সময়ে উগ্রবাদী সমস্যায় জর্জরিত এলাকায় এখন শান্তি বিরাজ করছে। কমিউনিস্ট শাসনকালে সাংবাদিক ও জনজাতি অফিসারদের খুনের ঘটনা তুলে ধরে তিনি বলেন, “নির্বাচনের আগে-পরে সন্ত্রাসের অবস্থা ছিল।”
মুখ্যমন্ত্রী জাতীয় ভোটার দিবস উপলক্ষে ১৮ বছর পূর্ণ করা যুবকদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, গণতন্ত্রে মানুষই শেষ কথা। তিনি লোকাল পার্টিগুলিকে ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য গঠিত বলে সমালোচনা করেন এবং বিজেপির সরকার জনজাতিদের পুনর্বাসন ও উন্নয়নে অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানান। উত্তর-পূর্বে ১১-১২টি শান্তি চুক্তি সম্পাদিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এই জনসভা ২০২৬-এর অটোনমাস কাউন্সিল নির্বাচনের প্রস্তুতির ইঙ্গিত দেয়, যা ত্রিপুরার রাজনৈতিক ল্যান্ডস্কেপ পরিবর্তন করতে পারে। বিজেপির ফোকাস জনজাতি ভোটব্যাঙ্কে, যা উত্তর-পূর্বের স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।


