নিউজ ডেস্ক || ত্রিপুরায় আবারও মাথাচাড়া দিয়েছে সারমেয় পাচারের অন্ধকার বাণিজ্য। মুঙ্গিয়াকামী থানাধীন চাকমাঘাট চামপ্লাই এলাকায় রাতের অন্ধকারে চার-পাঁচটি দেশি প্রজাতির কুকুরকে বস্তাবন্দি করে জঙ্গলে ফেলে রাখা হয়। মঙ্গলবার সকালে স্থানীয় সচেতন নাগরিকদের নজরে আসার পর তাঁরা দ্রুত খবর দেন মুঙ্গিয়াকামী থানায়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। এরপর আগরতলা থেকে ছুটে আসে প্রাণী সংরক্ষণ সংস্থা ‘পশম’। সংস্থার সদস্যরা কুকুরগুলিকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যান। বর্তমানে তারা চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণের মধ্যে রয়েছে।
এলাকাবাসীদের অভিযোগ, এই পাচার চক্রের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজনের নাম জড়িত—বিশেষ করে লনসা ত্রিপুরা ও বাদল দেববর্মার নাম উঠে এসেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে সারমেয় পাচার চলছে এবং প্রশাসনের কঠোর নজরদারির অভাবে চক্রটি বারবার সক্রিয় হয়ে উঠছে।
ঘটনাটি ঘিরে চাকমাঘাট এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সচেতন নাগরিকরা আশঙ্কা করছেন, সময়মতো কঠোর ব্যবস্থা না নিলে পাচার চক্র আরও বড় আকার নিতে পারে।
প্রাণীপ্রেমী সংগঠনগুলির দাবি—পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হোক। এই ঘটনা স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, ত্রিপুরায় পশু পাচার রোধে প্রশাসনকে আরও সতর্ক ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।


