নিউজ ডেস্ক || ত্রিপুরা পুলিশ, আসাম পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ অভিযানে মঙ্গলবার সকালে পশ্চিম ত্রিপুরার জয়পুর গ্রাম থেকে জাগির মিয়া নামে এক সন্দেহভাজন চরমপন্থীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনা উত্তর-পূর্ব ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকায় জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিস্তারকে স্পষ্ট করে তুলেছে।
স্পেশাল টাস্ক ফোর্স পুলিশ স্টেশনের মামলা নম্বর ০৬/২০২৫ অনুসারে, জাগির মিয়ার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ২০২৩-এর একাধিক ধারা এবং ইউএপিএ-র কঠোর ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তে উঠে এসেছে যে, তিনি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জামা’আতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ (জেএমবি)-এর সম্প্রসারণ ‘ইমাম মাহামুদে কাফিলা’র সঙ্গে যুক্ত। হোয়াটসঅ্যাপের মতো ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তাঁর যোগাযোগ ছিল সক্রিয়।
এই গ্রেপ্তার ত্রিপুরার সীমান্ত নিরাপত্তা এবং গোয়েন্দা সমন্বয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেছে। অতীতে সীমান্ত পেরিয়ে জঙ্গি অনুপ্রবেশ এবং নাশকতার ঘটনা প্রশাসনের জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল। বিশ্লেষকদের মতে, চরমপন্থী সংগঠনগুলি এখন সশস্ত্র কার্যকলাপের পাশাপাশি আদর্শিক প্রভাব বিস্তার এবং নেটওয়ার্ক গড়ে তোলায় মনোনিবেশ করছে, বিশেষ করে তরুণদের লক্ষ্য করে ডিজিটাল মাধ্যমে।
বর্তমানে জাগির মিয়াকে পুলিশ হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্তকারীরা আশা করছেন, সংগঠনের অর্থের উৎস, যোগাযোগের রুট এবং সম্ভাব্য স্লিপার সেলের তথ্য উদ্ঘাটিত হবে। এই ঘটনা উত্তর-পূর্ব ভারতের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।


