নিউজ ডেস্ক || ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ড. মানিক সাহা বলেছেন, বিজেপির পৃষ্ঠা প্রমুখদের উপর দলের অনেক ভরসা রয়েছে এবং নেতৃত্বের মধ্যে বিশ্বাস গড়ে তোলার মাধ্যমে দল আরও শক্তিশালী হবে। তিনি কমিউনিস্টদের সমালোচনা করে বলেন, তারা গণতন্ত্র মানেন না কিন্তু মুখোশ পরে তার বুলি আওড়ান। মোহনপুর মন্ডলের পৃষ্ঠা প্রমুখ সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।
সম্মেলনে ড. সাহা তাঁর রাজনৈতিক যাত্রার কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, বিজেপিতে যোগদানের পর তাঁকে বিস্তারক, পৃষ্ঠা প্রমুখ ইনচার্জ এবং মেম্বারশিপ ড্রাইভের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তাঁর লক্ষ্য ছিল ৩ লাখ সদস্য, কিন্তু রাজ্যে ৭ লাখ সদস্য তৈরি হয়। তিনি কমিউনিস্ট শাসনকালের সন্ত্রাসের কথা উল্লেখ করে বলেন, “কল্যাণপুর গণহত্যা মামলার সঙ্গে জড়িতরা এখন মুখোশ পরে জ্ঞান বিতরণ করছে।” তিনি দক্ষিণ জেলায় ৬৯টি খুনের ঘটনার উল্লেখ করেন এবং বিজেপির রাষ্ট্রবাদী চিন্তাধারার প্রশংসা করেন।
মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির বৃদ্ধির কথা তুলে ধরে বলেন, ১৯৮০ সালে অটল বিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বে দল গঠিত হয় এবং এখন ২৪০ জন সাংসদ রয়েছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং দলীয় সভাপতি জে.পি. নাড্ডাকে ‘অভিভাবক’ বলে উল্লেখ করেন। সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের প্রদেশ সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য, মন্ত্রী রতন লাল নাথ, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব প্রমুখ।
এই সম্মেলন বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির দিকে ইঙ্গিত করে। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ২০৪৭ সালের মধ্যে বিকশিত ত্রিপুরা গড়ার লক্ষ্যে রোডম্যাপ তৈরি হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নে রাজ্যকে শীর্ষ স্থানে নিয়ে যাওয়া হবে। এটি রাজ্যের রাজনৈতিক গতিশীলতা এবং উন্নয়নের প্রতি দলের প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরে।


