নিউজ ডেস্ক || ত্রিপুরা বিধানসভার প্রয়াত অধ্যক্ষ বিশ্ববন্ধু সেনের স্মৃতির উদ্দেশ্যে বুধবার বিধানসভা প্রাঙ্গণে এক স্মরণসভা আয়োজিত হয়েছে। এতে উপাধ্যক্ষ রামপ্রসাদ পাল, পরিষদীয় দলনেতা রতন লাল নাথ, বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী এবং মুখ্য সচেতক কল্যাণী রায়সহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
স্মরণসভায় উপাধ্যক্ষ রামপ্রসাদ পাল বলেন, “সংবিধানের মাধ্যমে যেমন আমরা পরিচালিত হয়, তেমনি প্রকৃতির বিধান অনুযায়ী চলতে হয় গোটা ব্যবস্থাকে। প্রকৃতির বিধান অনুযায়ীই চলে যেতে হয়েছে বিশ্ববন্ধু সেনকে।” বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী উল্লেখ করেন, “একজন অধ্যক্ষ থেকেও সাধারণ মানুষের স্বার্থে কথা বলার মতো একজন জননেতা ছিলেন বিশ্ববন্ধু সেন। অধ্যক্ষ হিসেবে দক্ষতার পরিচয় রেখেছেন তিনি।”
মুখ্য সচেতক কল্যাণী রায় বলেন, “একজন প্রখর রাজনীতিবিদের পাশাপাশি সম্পূর্ণ মানবিক গুণসম্পন্ন ছিলেন প্রয়াত বিশ্ববন্ধু সেন।” চারবারের বিধায়ক সেন দীর্ঘদিন কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং ২০১৮ সালে বিজেপিতে যোগ দেন। ২০২৩ সালের মার্চ থেকে তিনি অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
১৯৫৩ সালে ধর্মনগরে জন্মগ্রহণকারী সেন ১৯৭৫ সালে এমবিবি কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। গত ২৬ ডিসেম্বর বেঙ্গালুরুর এক হাসপাতালে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে ৭২ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু হয়।
এই ঘটনা ত্রিপুরা রাজনীতিতে একটি শূন্যতা সৃষ্টি করেছে। আগামী দিনে বিধানসভায় নতুন অধ্যক্ষ নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হবে, যা রাজ্যের রাজনৈতিক গতিপথকে প্রভাবিত করতে পারে। সেনের অবদান ত্রিপুরার রাজনৈতিক ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করেছে।


