নিউজ ডেস্ক || ত্রিপুরা হাইকোর্টের সাম্প্রতিক রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য সরকার। হাইকোর্টের নির্দেশে নিয়োগের প্রথম দিন থেকে নিয়মিত বেতন স্কেল প্রদানের কথা বলা হয়েছে এবং বাতিল করা হয়েছে দীর্ঘদিনের পাঁচ বছরের স্থির বেতন নীতি। এই রায় রাজ্যের আর্থিক নীতি ও কর্মসংস্থান ব্যবস্থাকে নতুন করে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।
রাজ্য প্রশাসনের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, রায়টি গভীরভাবে পর্যালোচনা করেই শীর্ষ আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। হাইকোর্টের নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর করলে বিপুল অর্থ বরাদ্দ দরকার, যা বর্তমান আর্থিক কাঠামোতে কঠিন। সীমিত রাজস্ব আয়ের মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার জন্যই চালু হয়েছিল স্থির বেতন নীতি। বিশেষ করে টেট শিক্ষকসহ বিভিন্ন বিভাগের কর্মচারীদের পূর্ববর্তী সময় থেকে নিয়মিত বেতন কার্যকর হলে কোষাগারে ব্যাপক চাপ পড়বে, যা উন্নয়ন প্রকল্পগুলিকে প্রভাবিত করতে পারে।
অন্যদিকে, কর্মচারী সংগঠনগুলি এই রায়কে ন্যায্য অধিকার হিসেবে দেখছে। দীর্ঘদিনের স্থির বেতনের কারণে আর্থিক বঞ্চনা হচ্ছে বলে তারা মনে করেন। সরকার ও কর্মচারীদের এই মুখোমুখি অবস্থানের নিষ্পত্তি এখন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের উপর নির্ভর করছে। প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সিদ্ধান্ত রাজ্যের ভবিষ্যৎ নিয়োগনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ দিশা দেবে।


