নিউজ ডেস্ক || ত্রিপুরা পূর্ণরাজ্য দিবস উপলক্ষ্যে রাজ্য সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সংস্থাকে সম্মানিত করবে। প্রয়াত অধ্যক্ষ বিশ্ববন্ধু সেনকে মরণোত্তর ত্রিপুরা ভূষণসম্মান প্রদান করা হবে, যা তাঁর স্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হবে। এছাড়া শিক্ষা, শিল্প, কৃষি ও উদ্যোগক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য একাধিক রাজ্য নাগরিক পুরস্কার ও স্টেটহুড ডে অ্যাওয়ার্ড ঘোষণা করা হয়েছে।
পুরস্কারের তালিকায় ত্রিপুরা বিভূষণ সম্মান পাবেন প্রয়াত শিক্ষাবিদ ধীরেন্দ্র চন্দ্র দত্ত (মরণোত্তর), ত্রিপুরা ভূষণ সম্মান পাবেন প্রয়াত বিশ্ববন্ধু সেন (মরণোত্তর) ও চিত্রনাট্য লেখক বিপ্লব গোস্বামী। শচীন দেববর্মণ স্মৃতি সম্মান লোকশিল্পী সূর্য কুমার দেববর্মণকে, মহারাণী কাঞ্চনপ্রভা দেবী স্মৃতি সম্মান চম্পা দাসকে এবং বিজ্ঞান ক্ষেত্রে স্টেট অ্যাওয়ার্ড ড. অরিজিৎ দাসকে প্রদান করা হবে। স্টেটহুড ডে অ্যাওয়ার্ডে গুড সিটিজেন অ্যাওয়ার্ড গৌতম দাসকে, শ্রেষ্ঠ স্টার্টআপ আটকালাপা বায়োটেকনোলজি এলএলপিকে, কৃষি ক্ষেত্রে ধনবাবু হালামকে, মৎস্যক্ষেত্রে কৃষ্ণ দেববর্মণকে, পশুপালন ক্ষেত্রে রতন দেবনাথকে, মৌমাছি পালন ক্ষেত্রে উত্তম কুমার দাসকে, শিল্পক্ষেত্রে দীপক দত্তকে, মোবাইল অ্যাপ ক্ষেত্রে সত্যব্রত বিশ্বাসকে, কো-অপারেটিভ সোসাইটি তুলামুড়া প্যাকসকে, শ্রেষ্ঠ শিক্ষাবিদ লক্ষ্মণ মালাকারকে এবং শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াবিদ শ্রীপর্ণা দেবনাথকে দেওয়া হবে।
এই পুরস্কারগুলি রাজ্যের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নে অবদানকারীদের স্বীকৃতি প্রদান করে। রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে অনুপ্রাণিত করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আগামী ২১ জানুয়ারি রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে আয়োজিত রাজ্যভিত্তিক অনুষ্ঠানে এই সম্মাননাগুলি প্রদান করা হবে। এটি ত্রিপুরার ঐতিহ্যবাহী উদযাপনকে আরও অর্থবহ করে তুলবে এবং ভবিষ্যতে এমন অবদানকারীদের উত্সাহিত করবে।


