নিউজ ডেস্ক || ত্রিপুরা বিধানসভার বাজেট অধিবেশনে উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে শিক্ষক শূন্যপদ ও গেস্ট লেকচারার নিয়োগ নিয়ে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী কিশোর বর্মনকে একাধিক প্রশ্নে চাপে ফেলেন।
সুদীপ রায় বর্মন জানান, সরকার ৩০৬টি শূন্যপদ স্বীকার করলেও রাজ্যের কলেজগুলিতে বর্তমানে ৭৩২ জন গেস্ট ও ভিজিটিং লেকচারার নিযুক্ত। টিপিএসসি-র মাধ্যমে ২০০টি পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলছে, আরও ২০১টি নতুন পদ সৃষ্টির প্রস্তাব রয়েছে। তবু অতিরিক্ত ৯৫টি পদ সৃষ্টির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি।
ইউজিসি নির্দেশিকা অনুসারে নেট/স্লেট/পিএইচডি আবশ্যক হলেও অনেক গেস্ট লেকচারার শুধু স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী। কিছু ক্ষেত্রে পিজি ডিগ্রিধারীদের সহকারী অধ্যাপক পদে উন্নীত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। ৪০ বছরের ঊর্ধ্বে প্রার্থীদের বয়সসীমা শিথিলের দাবিও উঠেছে।
মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা জানান, যোগ্য প্রার্থীর অভাবে গেস্ট নিয়োগ চালু রয়েছে। সুদীপ দাবি করেন, রাজ্যে প্রায় ১,৭০০ যোগ্য প্রার্থী রয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন।
বিরোধীরা নিয়োগের নির্দিষ্ট সময়সীমা দাবি করলেও ৭৩২ গেস্ট লেকচারারের উপস্থিতিই সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।


