নিউজ ডেস্ক || ত্রিপুরা সারা দেশের মধ্যে ‘মন কি বাত’ শ্রবণ কার্যক্রমে প্রথম স্থান ধরে রেখেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ১৩২তম পর্বে জম্পুই হিলের ভাংমুনে উদ্ভাবনী পদ্ধতিতে পানীয় জলের ব্যবস্থার প্রশংসা করায় এই সাফল্য আরও গৌরবময় হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা আজ এ কথা জানিয়েছেন।
বড়জলার ২২ নং বুথে কিষাণ মোর্চার আয়োজিত শ্রবণ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “যেখানে আগে পানীয় জলের জন্য চরম অসুবিধা ছিল, সেখানকার মানুষ এখন উদ্ভাবনী চিন্তাভাবনার মাধ্যমে জল পাচ্ছেন—এটি আমাদের জন্য গর্বের বিষয়।” তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রীর মুফত বিজলি যোজনায় রিয়াং শরণার্থীসহ গ্রামের মানুষ উপকৃত হচ্ছেন। বিদ্যুতের সুবিধায় শিক্ষা ও কৃষিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
ডাঃ সাহা বলেন, ২০১৮ সালে জলজীবন মিশনের সাফল্য ছিল মাত্র ৩ শতাংশ। বর্তমানে তা ৮৫-৮৬ শতাংশে পৌঁছেছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে রাজ্য ১০০ শতাংশ লক্ষ্য অর্জন করবে। প্রধানমন্ত্রীর ‘বিকশিত ভারত ২০৪৭’ আহ্বানকে সামনে রেখে ত্রিপুরাও ‘বিকশিত ত্রিপুরা’ গড়ার লক্ষ্যে দিনরাত কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে ত্রিপুরা বিধানসভার মুখ্য সচেতক কল্যাণী সাহা রায়, মন কি বাত প্রদেশ ইনচার্জ রতন ঘোষসহ বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এই সাফল্য ত্রিপুরার উন্নয়নের নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে এবং প্রধানমন্ত্রীর জনকল্যাণমূলক যোজনাগুলির কার্যকর বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজ্যবাসীর জীবনযাত্রার মান আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


