নিউজ ডেস্ক || ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাভবনে সংখ্যালঘু কল্যাণ দপ্তরের আয়োজিত ম্যারিট অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে উদ্বোধন করে বলেন, রাজ্য সরকার জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলের উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কন্যা-শিশু কল্যাণে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে জনবিকাশ কার্যক্রমের মাধ্যমে এই লক্ষ্য অর্জনে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষার আলো ছাড়া অজ্ঞতার অন্ধকার থেকে মুক্তি সম্ভব নয়। সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীদের গতানুগতিক শিক্ষার পাশাপাশি প্রযুক্তিগত শিক্ষায় যুক্ত করার উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। রাজ্য সরকার সংখ্যালঘু সমস্যার সমাধানে সচেষ্ট, যার অংশ হিসেবে পাঁচটি প্রকল্প কেন্দ্রের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, ওয়াকফ বোর্ডের সম্পত্তি পুনরুদ্ধার, বৃত্তি প্রদান, মাদ্রাসা উন্নয়ন এবং সংখ্যালঘু অধুষিত এলাকায় জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সংখ্যালঘু কল্যাণমন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া জানান, রাজ্যে সংখ্যালঘু আদর্শ গ্রাম গড়ে তোলার উদ্যোগ চলছে এবং এবছরের বাজেটে স্কলারশিপের জন্য ৯ কোটি ২২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। বিধায়ক তফাজ্জল হোসেন উচ্চশিক্ষায় সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী কৃতি ছাত্রছাত্রীদের চিফমিনিস্টার্স মাইনোরিটি অ্যাওয়ার্ডস, বেগম রোকেয়া গোল্ড মেডেল সহ বিভিন্ন পুরস্কার প্রদান করেন। এছাড়া, সংখ্যালঘু নিগমের ঋণপ্রাপকদের চেক বিতরণ এবং দুটি হোস্টেলের ভার্চুয়াল উদ্বোধন হয়।
এই উদ্যোগগুলি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা বাড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে জাতীয় শিক্ষানীতির সাথে যুক্ত করে রাজ্যের সামগ্রিক উন্নয়নকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার এগিয়ে চলেছে, যা সম্প্রীতি ও আইনের শাসনকে অক্ষুণ্ণ রাখবে।


