মন্দির নির্মাণে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, ক্ষোভে ফুঁসছেন নবীনছড়া ডেপাছড়ার বাসিন্দারা
নিউজ ডেস্ক || ভোটের আগে মন্দির নির্মাণ ও দুই লাখ টাকা অনুদানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এখন আর খোঁজ নিচ্ছেন না মন্ত্রী ও বিধায়ক সান্তনা চাকমা— এই অভিযোগ তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন নবীনছড়া ডেপাছড়া এলাকার সাধারণ মানুষ। ধর্মীয় স্থানকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারেরও গুরুতর অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের কাছ থেকে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ২০১৮ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পেঁচারতল এলাকায় এসে তৎকালীন জনপ্রতিনিধি সান্তনা চাকমা নবীনছড়া ডেপাছড়ায় মন্দিরের নতুন ভবন নির্মাণ এবং দুই লাখ টাকা অনুদান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ আট বছর পেরিয়ে গেলেও সেই প্রতিশ্রুতির কোনো বাস্তবায়ন হয়নি। বর্তমানে মন্দিরটি অর্ধসমাপ্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। বর্ষাকালে মন্দিরে পানি জমা, ছাদ ও দেওয়ালের ক্ষতি— নানা সমস্যায় পড়তে হয় পূজার্থীদের।
এলাকাবাসীরা আরও জানান, একাধিকবার মন্ত্রীর দপ্তরে যোগাযোগ করা হয়েছে, কিন্তু কোনো সাড়া মেলেনি। বাধ্য হয়ে সংবাদমাধ্যমের সামনে ক্ষোভ প্রকাশ করতে হয়েছে তাদের।
স্থানীয়দের একাংশ বলেন, “ধর্মীয় স্থান নিয়ে রাজনীতি চাই না। জনপ্রতিনিধি প্রতিশ্রুতি দিলে তা রক্ষা করা উচিত। আট বছর অনেক দীর্ঘ সময়। দ্রুত মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু এবং প্রতিশ্রুত অনুদান প্রদান করা হোক।”
এ বিষয়ে মন্ত্রী সান্তনা চাকমার কোনো প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য জানার জন্য যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। প্রতিক্রিয়া পেলে পরবর্তীতে জানানো হবে।
ঘটনায় প্রশাসনের নীরব ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নবীনছড়া ডেপাছড়ার বাসিন্দারা।


