১১ জুলাই পর্যন্ত বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস, আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তিও থাকবে অব্যাহত
পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি ক্রমশ শক্তি সঞ্চয় করে উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। বর্তমানে এটি ওড়িশার বালেশ্বর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্ব এবং পশ্চিমবঙ্গের দীঘা উপকূল থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, সোমবারের মধ্যেই নিম্নচাপটি বালেশ্বর, চন্দবালি ও দীঘার মধ্যবর্তী উপকূলীয় স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে।
এই নিম্নচাপের প্রত্যক্ষ প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে বেশি থাকলেও পার্শ্ববর্তী রাজ্য ত্রিপুরাতেও এর আংশিক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই কারণে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় আগামী কয়েকদিন বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।
আগামী ২৪ ঘণ্টায় ত্রিপুরার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে থাকতে পারে। একই সঙ্গে মেঘলা আকাশ, মাঝেমধ্যে রোদের দেখা মিললেও বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি থাকায় ভ্যাপসা গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকবে।
৬ জুলাই খোয়াই, পশ্চিম ত্রিপুরা, গোমতী, সিপাহীজলা এবং উত্তর ত্রিপুরা জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত ও বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ৭ জুলাই গোমতী, সিপাহীজলা ও উত্তর ত্রিপুরা জেলায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া ৯ ও ১০ জুলাই গোমতী, সিপাহীজলা এবং দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলায় ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। আগামী ১১ জুলাই পর্যন্ত রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বজ্রবিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা অব্যাহত থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তরের পক্ষ থেকে নাগরিকদের প্রয়োজন ছাড়া খারাপ আবহাওয়ার সময় বাইরে না বের হওয়ার, বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার এবং স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশিকা মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


