রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করতে স্নাতকোত্তর ৮৬৫ জনকে শিক্ষক-শিক্ষিকা পদে নিয়োগপত্র প্রদান করেছে ত্রিপুরা সরকার। আজ রবীন্দ্র ভবনে বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা প্রধান অতিথি হিসেবে ৩৪ জনের হাতে সরাসরি নিয়োগপত্র তুলে দেন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, শিক্ষক-শিক্ষিকারা আগামী প্রজন্মকে মানুষ বানানোর কারিগর। তাদের দায়িত্ববোধের সঙ্গে প্রকৃত জ্ঞান দানের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের সামনে জ্ঞানের দুয়ার খুলে দিতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গুণগত শিক্ষা ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে।
সরকারের স্বচ্ছ নিয়োগ প্রক্রিয়ার কথা উল্লেখ করে মানিক সাহা জানান, ২০১৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরে ৭,১০৪ জন এবং অন্যান্য দপ্তর মিলিয়ে মোট ২১,৮২৫ জন শিক্ষিত যুবক-যুবতীকে চাকরি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কন্ট্রাকচুয়াল ও আউটসোর্সিংয়ে আরও ২৪,০৭৮ জনকে নিয়োগ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরের সচিব মিলিন্দ রামটেকে জানান, রাজ্যের ৩ লক্ষ ৭ হাজার ছাত্রছাত্রীর জন্য বিদ্যাসেতু, নিপুণ ত্রিপুরা, স্মার্ট ক্লাসসহ নানা উদ্যোগ চালু করা হয়েছে।
এই নিয়োগ প্রক্রিয়া রাজ্যে শিক্ষার মান উন্নয়ন ও স্বচ্ছতার সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। সরকার ভবিষ্যতেও শূন্যপদ পূরণ ও নতুন পদ সৃষ্টির মাধ্যমে শিক্ষিত যুবসমাজকে সুযোগ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।


