রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার মানোন্নয়ন ও পরিধি বৃদ্ধিতে বর্তমান সরকারের উদ্যোগের ফলে রেফারেল রোগীর সংখ্যা প্রায় ৮০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা। আন্তর্জাতিক সেবিকা দিবস উপলক্ষে রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রী ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের সেবামূলক জীবনের প্রশংসা করে বলেন, “তিনি ছিলেন একজন প্রকৃত মানবদরদী। সেবার মাধ্যমে মানুষকে ভালোবাসার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তিনি রেখে গেছেন।” তিনি চিকিৎসা ক্ষেত্রে নার্সদের অপরিসীম ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বলেন, নার্স ছাড়া চিকিৎসা পরিষেবা সম্ভব নয় এবং তাদের পোশাক দায়িত্ববোধ জাগিয়ে তোলে।
ডা. সাহা জানান, রাজ্যে একটি মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি, সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, এডিসি এলাকায় নতুন মেডিক্যাল কলেজ এবং নতুন চক্ষু চিকিৎসা হাসপাতাল গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজ্যবাসীকে আর বাইরে যেতে হবে না বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, রাজ্যে নার্সিং শিক্ষার পরিধি বৃদ্ধি পেয়েছে। ইতিমধ্যে ১৫৩ জন নার্সিং স্টাফ নিয়োগ করা হয়েছে এবং আরও ১০০ জনকে নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। কোভিডকালীন সময়ে নার্সদের অবদানকে যোদ্ধার সমতুল্য বলে অভিহিত করেন মুখ্যমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য সচিব কিরণ গিত্যে, স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডা. দেবাশ্রী দেববর্মাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। মুখ্যমন্ত্রী ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং স্বাস্থ্য দপ্তরের মুখপত্র ‘স্বাস্থ্য সংবাদ’-এর আবরণ উন্মোচন করেন।
এসব উদ্যোগ রাজ্যে স্বাস্থ্যসেবাকে আরও শক্তিশালী ও জনমুখী করবে বলে মনে করা হচ্ছে।


