নিউজ ডেস্ক || ত্রিপুরা স্বশাসিত জেলা পরিষদ (টিটিএএডিসি) নির্বাচনের দিন সাব্রুম মহকুমায় ইভিএম বহনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের লাঠিচার্জে একাধিক তিপ্রা মথা কর্মী আহত হন এবং দলের মহিলা নেত্রী সুপ্রিয়া চৌধুরীকে পেছন থেকে লাথি মারার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগ অনুসারে, ১২ এপ্রিল ২৭-পূর্ব মহুরীপুর-ভূরাতলী এবং ২৮-শিলাছড়ি-মনুবনকুল কেন্দ্রের নির্বাচনী আধিকারিকরা সামসিং স্কুল থেকে একটি বাসে ইভিএম নিয়ে সাব্রুম মহকুমা শাসকের কার্যালয়ের সামনে স্ট্রং রুমের দিকে যাচ্ছিলেন। এসময় তিপ্রা মথার কর্মীরা বাসে বহিরাগতদের তোলার অভিযোগ তুলে বাস আটকানোর চেষ্টা করেন। উত্তেজনা চরমে পৌঁছালে পুলিশ লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
লাঠিচার্জের সময় সুপ্রিয়া চৌধুরী, তিপ্রা উইমেন্স ফেডারেশনের (টিডব্লিউএফ) দক্ষিণ জেলা সদস্যকে এক নিরাপত্তারক্ষী পেছন থেকে লাথি মারেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিপ্রা মথা কর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয়।
ঘটনার তিন দিন পর আজ তিপ্রা মথার নেতৃত্বে বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা, টিডব্লিউএফ সভানেত্রী মনিহার দেববর্মা, প্রার্থী দেবজিৎ ত্রিপুরা ও মনীন্দ্র ত্রিপুরাসহ নেতারা দক্ষিণ ত্রিপুরা জেলার পুলিশ সুপারের সঙ্গে দেখা করে অভিযোগ জানান। তাঁরা সুপ্রিয়া চৌধুরীর উপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও বেআইনি হামলার বিষয়টি তুলে ধরেন। পরে নেতারা কলাছড়ায় সুপ্রিয়া চৌধুরীর বাসভবনে গিয়ে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন।
সংবাদমাধ্যমের সামনে বিধায়ক রঞ্জিত দেববর্মা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ঘটনার তিন দিন পেরিয়ে গেলেও স্বরাষ্ট্র দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের নীরবতা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।” তিনি জানান, এসপি ও ডিজির সঙ্গে কথা হয়েছে এবং শীঘ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় সাব্রুম এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।


