নিউজ ডেস্ক || ত্রিপুরায় সিপিআইএম এবং কংগ্রেসের মধ্যে আসন সমঝোতার সম্ভাবনা নিয়ে তীব্র বিতর্ক উঠেছে। বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী কংগ্রেস বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণের অভিযোগের জবাবে বলেছেন, টিটিএএডিসি নির্বাচনে কংগ্রেস যদি একটি আসনেও জামানত রক্ষা করতে পারে, তাহলে সমঝোতার প্রশ্ন উঠবে।
ঘটনার পটভূমিতে, সুদীপ রায় বর্মণ অভিযোগ করেছিলেন যে বিজেপিকে পরাস্ত করতে সিপিআইএম আন্তরিক নয় এবং ধর্মনগর উপনির্বাচনে সিপিআইএমের প্রার্থী প্রত্যাহার করা উচিত। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জিতেন্দ্র চৌধুরী বলেন, “টিটিএএডিসি নির্বাচনের ২৮টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস যদি একটি আসনেও জামানত রক্ষা করে দেখাক। তারপরই কংগ্রেসের সাথে সিপিআইএমের আসন সমঝোতার প্রশ্ন আসবে।” তিনি আরও দাবি করেন যে ওই এলাকায় কংগ্রেসের সংগঠন অত্যন্ত দুর্বল।
ধর্মনগর বিধানসভা কেন্দ্র প্রসঙ্গে চৌধুরী বলেন, “ওই কেন্দ্রে কংগ্রেসের কোনো সংগঠন বা কর্মী নেই বললেই চলে। এমনকি সেখানে কংগ্রেসের উল্লেখযোগ্য ভোটব্যাঙ্কও নেই।” তিনি উল্লেখ করেন যে গত বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস বুথে পোলিং এজেন্ট দিতে পারেনি, যা সিপিআইএম দিয়েছে। চৌধুরী স্বীকার করেন যে কংগ্রেস দেশের একটি বড় দল এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু ত্রিপুরায় সব আসনে কংগ্রেস প্রার্থী দেওয়া বাস্তবসম্মত নয়।
এই বিতর্ক বিজেপি-বিরোধী জোটের সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করতে পারে। আগামী নির্বাচনগুলিতে বিরোধীদের ঐক্যের উপর নজর রাখা হবে, যা ত্রিপুরার রাজনৈতিক ভবিষ্যত নির্ধারণ করতে পারে।


