নিউজ ডেস্ক || ভারতের নির্বাচন কমিশন বুধবার ১০টি রাজ্যের ৩৭টি রাজ্যসভা আসনের জন্য নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে। ১৬ মার্চ সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ হবে, এবং একই দিন বিকেল ৫টায় গণনা শুরু হবে।
এই ৩৭টি শূন্য আসনের মধ্যে বর্তমানে ১২টি এনডিএ-র দখলে এবং ২৫টি বিরোধীদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মহারাষ্ট্রে ৭টি, তামিলনাড়ুতে ৬টি, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারে ৫টি করে আসনে নির্বাচন হবে। আগামী ২ এপ্রিল মেয়াদ শেষ হচ্ছে শরদ পাওয়ার, রামদাস আঠাওয়ালে, কানিমোঝি, তিরুচি শিবা এবং রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশের মতো বিশিষ্ট সদস্যদের।
রাজ্যসভার সদস্যরা সরাসরি জনগণের ভোটে নয়, বিধায়কদের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হন। প্রতি বিধায়কের ভোটমূল্য ১০০, এবং জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ভোটসংখ্যা বিধানসভার সদস্যসংখ্যা ও শূন্য আসনের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়।
কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, ভোটদানে শুধুমাত্র রিটার্নিং অফিসার প্রদত্ত বেগুনি স্কেচ কলম ব্যবহার করতে হবে। নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করতে পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হবে। এছাড়া, আসাম, কেরালা, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু এবং পশ্চিমবঙ্গে ইভিএম ও ভিভিপ্যাট নিয়ে সচেতনতা প্রচার শুরু হয়েছে, যাতে ১.২০ লক্ষের বেশি মানুষ ডেমো ক্যাম্পে অংশ নিয়েছেন এবং ১.১৬ লক্ষ মক ভোট দিয়েছেন।
এই নির্বাচন রাজ্যসভার ক্ষমতাসমীকরণে প্রভাব ফেলতে পারে, যেখানে মোট ২৪৫ আসনের মধ্যে ২৩৩টি নির্বাচিত এবং ১২টি রাষ্ট্রপতি মনোনীত। আগামী মাসে ফলাফল ঘোষণার পর সংসদের উচ্চকক্ষে নতুন ভারসাম্য দেখা যাবে।


