নিউজ ডেস্ক || সংবিধান সংশোধনের জন্য প্রয়োজনীয় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় প্রস্তাবিত সংশোধনী বিল পাস করা সম্ভব হয়নি। শাসক পক্ষের দাবি, তারা সংশোধনের পক্ষে জোরালোভাবে অবস্থান নিলেও বিরোধীদের আপত্তির জেরে শেষ পর্যন্ত বিলটি আটকে যায়। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এই সংশোধনী কার্যকর হওয়ার পথ আপাতত বন্ধ হয়ে গেল।
এই ইস্যুতে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও পাল্টা অভিযোগের পালা। শাসক দল অভিযোগ করেছে, জনস্বার্থে আনা সংশোধনীতে ইচ্ছাকৃতভাবে বাধা সৃষ্টি করেছে বিরোধীরা। অন্যদিকে বিরোধীদের দাবি, সংশোধনীর বেশ কিছু দিক নিয়ে তাদের আপত্তি ছিল এবং তা যথাযথভাবে বিবেচনা না করায় তারা সমর্থন দেয়নি।
এই প্রসঙ্গে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী সান্তনা চাকমা, বিধায়ক মীনা রাণী সরকার, বিধায়ক অন্তরা দেব সরকার এবং দলের মিডিয়া ইনচার্জ সুনিত সরকার। সম্মেলনে তাঁরা বিষয়টি বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন এবং ভবিষ্যতে এই সংশোধনী পুনরায় আনার সম্ভাবনার কথাও ইঙ্গিত দেন।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে আরও উত্তেজনা বাড়তে পারে।


