Sunday, August 2, 2026
বিজ্ঞাপন 728 x 90
বাড়ি রাজ্য ভুয়ো পরিচয়ে কোটি টাকার প্রতারণা! ইডির জালে সাসপেন্ড আইএএস-সহ চক্র, বাজেয়াপ্ত ₹১.১২ কোটি

ভুয়ো পরিচয়ে কোটি টাকার প্রতারণা! ইডির জালে সাসপেন্ড আইএএস-সহ চক্র, বাজেয়াপ্ত ₹১.১২ কোটি

ভুয়ো পরিচয়ে কোটি টাকার প্রতারণা! ইডির জালে সাসপেন্ড আইএএস-সহ চক্র, বাজেয়াপ্ত ₹১.১২ কোটি

নিউজ ডেস্ক || পরিচয় দিয়ে সরকারি টেন্ডার, মিড-ডে মিল সরবরাহ এবং রাবার ব্যবসায় লাভের প্রলোভন দেখিয়ে কোটি কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে বড় পদক্ষেপ নিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। পিএমএলএ, ২০০২-এর আওতায় আগরতলা সাব-জোনাল অফিস প্রায় ১.১২ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স অস্থায়ীভাবে ক্রোক (বাজেয়াপ্ত) করেছে।


ইডি সূত্রে জানা গেছে, এই মামলায় অভিযুক্ত উৎপল কুমার চৌধুরী নিজেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে জাল পরিচয়পত্র ব্যবহার করতেন। পাশাপাশি সরকারি দপ্তর ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার নামের সঙ্গে মিল রেখে একাধিক ভুয়ো সংস্থা তৈরি করে ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা সংগ্রহের অভিযোগ রয়েছে।


তদন্তে আরও উঠে এসেছে, অভিযুক্তরা সরকারি টেন্ডার, মিড-ডে মিলের চুক্তি এবং রাবার ব্যবসায় বিপুল লাভের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন শেল সংস্থার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা দিতে প্ররোচিত করতেন। পরে সেই অর্থ একাধিক ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে ঘুরিয়ে নগদে তুলে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া হতো বলে অভিযোগ।


ইডির তদন্তে আরও দাবি করা হয়েছে, ত্রিপুরা ক্যাডারের সাসপেন্ড হওয়া আইএএস অফিসার অভিষেক চন্দ্র এই অপরাধলব্ধ অর্থের একটি অংশ গ্রহণ করেছিলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ওই অর্থ তার ব্যক্তিগত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হয় এবং একটি বেসরকারি হাউজিং প্রকল্পে তার নামে ফ্ল্যাট বুক করার ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়।


বর্তমান পদক্ষেপে উৎপল কুমার চৌধুরী, অভিষেক চন্দ্র এবং তাদের নিয়ন্ত্রিত একাধিক শেল সংস্থার নামে থাকা ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স ক্রোক করা হয়েছে। ইডি জানিয়েছে, এই মামলায় এখন পর্যন্ত দুটি পৃথক অস্থায়ী ক্রোক আদেশে মোট প্রায় ১.৬৩ কোটি টাকার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।


এই ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা পুলিশের দায়ের করা একাধিক প্রতারণা, জালিয়াতি, অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ এবং ভুয়ো পরিচয় সংক্রান্ত এফআইআরের ভিত্তিতে পিএমএলএ-র অধীনে তদন্ত শুরু হয়েছিল। ইডি জানিয়েছে, মামলার তদন্ত এখনও চলছে এবং ভবিষ্যতে আরও সম্পদ বাজেয়াপ্ত বা নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

Santosh Paul
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha