নিউজ ডেস্ক || ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ডা. মানিক সাহা শুক্রবার প্রজ্ঞা ভবনে অনুষ্ঠিত ডিজিএসপি/আইজিএসপি সম্মেলন-২০২৫-এর রাজ্যস্তরের পর্যালোচনা সভায় যোগ দেন। রায়পুরে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় পুলিশ সম্মেলনের প্রেক্ষাপটে এই বৈঠক আয়োজিত হয়, যেখানে ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়।
সভায় মুখ্যমন্ত্রী জানান, রায়পুর সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উপস্থিতিতে সংগঠিত অপরাধ, আন্দোলনে বিদেশি অর্থায়ন এবং আন্তর্জাতিক লজিস্টিক সহায়তা নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, “অতীতের তুলনায় ভারত আজ অনেক বেশি প্রস্তুত এবং দৃঢ়তার সঙ্গে এই চ্যালেঞ্জগুলির মোকাবিলা করতে সক্ষম।” এছাড়া, জাতীয় সম্মেলনের পরামর্শের ৭০ শতাংশেরও বেশি ত্রিপুরায় বাস্তবায়িত হয়েছে, যা রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নের প্রমাণ।
মুখ্যমন্ত্রী পুলিশ-জনসম্পর্ককে জোরদার করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “পুলিশকে আরও জনবান্ধব হতে হবে। ইউনিফর্ম সম্মানের প্রতীক—কিন্তু সেই সঙ্গে আচরণও এমন হতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে পুলিশের কাছে যেতে পারে।” গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে জনগণ ও পুলিশের সমন্বিত দায়িত্ব পালনের কথা উল্লেখ করেন তিনি। এছাড়া, “নতুন ভারত”-এর দর্শনের সঙ্গে “নতুন ত্রিপুরা” গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
এই সভার মাধ্যমে ত্রিপুরায় জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলের বাস্তবায়ন আরও গতি লাভ করবে। মুখ্যমন্ত্রী শহীদ বিএসএফ, সেনা ও পুলিশ সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, “পুলিশই আমাদের অগ্রণী বাহিনী।” এটি “এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত” এবং “এক ত্রিপুরা শ্রেষ্ঠ ত্রিপুরা”-র স্বপ্ন বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
