নিউজ ডেস্ক || স্বাস্থ্য পরিষেবাকে রাজ্য সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার খাত হিসেবে চিহ্নিত করে আশা কর্মীদের সাম্মানিক বৃদ্ধির বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছে বর্তমান সরকার। এ কথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডা. মানিক সাহা।
শুক্রবার হাঁপানিয়াস্থিত আন্তর্জাতিক মেলা ও প্রদর্শনী ময়দানের ইন্ডোর হলে রাজ্যভিত্তিক আশা কনভেনশনের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী এ ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, ২০১৭ সালের পর দীর্ঘ প্রায় ৯ বছর বাদে এই রাজ্যভিত্তিক আশা কনভেনশন আয়োজিত হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আশা মানে অ্যাক্রিডিয়েটেড সোশ্যাল হেল্থ অ্যাক্টিভিস্ট। সমস্ত মানুষ আপনাদের কাছ থেকে আশার কিরণ প্রত্যাশা করে এবং আপনারা তা পূরণ করে চলেছেন।” তিনি আশা কর্মীদের নিরলস সেবার প্রশংসা করে বলেন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি, মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষা, টিকাকরণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁদের অবদান অপরিসীম।
কনভেনশনের থিম ‘একতাই গড়ি সুস্থ রাজ্য’-এর উল্লেখ করে ডা. সাহা বলেন, সবাই সুস্থ থাকলে রাজ্যও সুস্থ থাকবে। নতুন ত্রিপুরা গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নিউ ইন্ডিয়া ও মহিলা ক্ষমতায়নের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন।
মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, রাজ্যে কর্মরত ৭,৮৬৬ জন আশা কর্মীর সাম্মানিক বৃদ্ধি, উন্নত প্রশিক্ষণ ও সার্বিক কল্যাণে সরকার চিন্তাভাবনা করছে। তাঁদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও মানবিক সেবার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য দপ্তরের সচিব কিরণ গিত্যে, আয়ুষ্মান ভারত ডিজিটাল মিশনের মিশন ডিরেক্টর জি এস নায়েক, স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডা. দেবাশ্রী দেববর্মা, জাতীয় স্বাস্থ্য মিশনের যুগ্ম মিশন অধিকর্তা ডা. নুপুর দেববর্মাসহ স্বাস্থ্য দপ্তরের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকগণ উপস্থিত ছিলেন।
এই কনভেনশনকে মহিলা ক্ষমতায়নের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী।
