আগরতলা, প্রতিনিধি: রাজ্যের ক্রীড়া ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও স্বচ্ছ করে তুলতে এবং স্থানীয় খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা ও ঘোষণা দিল ত্রিপুরা সরকার। মঙ্গলবার আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনের সামনে থেকে আয়োজিত এক বিশেষ বর্ণাঢ্য র্যালির সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহা। বেলুন উড়িয়ে তিনি এই র্যালির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুব বিষয়ক ও ক্রীড়া দপ্তরের মন্ত্রী টিংকু রায়, দপ্তরের মন্ত্রী অনিমেশ দেববর্মা, আসামের শিলচরের বিধায়ক ড. রাজদীপ রায়, ত্রিপুরা অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন স্তরের ক্রীড়াবিদরা।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহা বলেন, অতীতে অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের নাম ব্যবহার করে অন্য রাজ্যের খেলোয়াড়দের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হতো। তবে বর্তমান সরকার সেই প্রথার অবসান ঘটিয়েছে। এখন থেকে রাজ্যের প্রকৃত ও স্থানীয় খেলোয়াড়রাই বিভিন্ন ক্রীড়া ইভেন্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন বলে তিনি স্পষ্ট জানান।
অন্যদিকে, ক্রীড়ামন্ত্রী টিংকু রায় খেলোয়াড়দের আর্থিক সহায়তার জন্য সরকারের নতুন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, খেলোয়াড়দের উন্নয়ন ও উৎসাহ দিতে তিনটি বিশেষ স্কিম চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি জাতীয় স্তরে পদকজয়ীদের জন্য নগদ পুরস্কারও ঘোষণা করা হয়েছে।
ঘোষণা অনুযায়ী, জাতীয় পর্যায়ে স্বর্ণপদক জয়ীরা পাবেন ১ লক্ষ টাকা, রৌপ্যপদক জয়ীরা পাবেন ৫০ হাজার টাকা এবং ব্রোঞ্জপদক জয়ীরা পাবেন ২৫ হাজার টাকা।
সরকারের এই উদ্যোগ রাজ্যের ক্রীড়া পরিকাঠামো ও খেলোয়াড়দের ভবিষ্যৎ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া মহলের একাংশ। স্থানীয় প্রতিভাদের সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে এই পদক্ষেপ বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।


