নিউজ ডেস্ক || রবিবার শালবাগান বিএসএফ গলফ কোর্সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহা আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করলেন ‘ভারত গলফ মহোৎসব’। ত্রিপুরা গলফ অ্যাসোসিয়েশন ও বিএসএফ গলফ ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠান উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রথম জাতীয় পর্যায়ের গলফ উৎসব।
ভারতীয় গলফ ফেডারেশনের এই বৃহৎ কর্মসূচি ১০০ দিনে ১০০ শহরকে সংযুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে চলছে। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জন্মদিনে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ আগামী ১২ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। মাদকাসক্তি ও স্থূলতার বিরুদ্ধে যুবসমাজকে সচেতন করা, পরিবেশ রক্ষা এবং গলফকে জনপ্রিয় করাই এর মূল উদ্দেশ্য।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ড. সাহা বলেন, “প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঢেউ খেলানো ভূখণ্ড, সবুজ পরিবেশ ও আতিথেয়তার জন্য ত্রিপুরা গলফ পর্যটনের আদর্শ গন্তব্য। এই উৎসব ত্রিপুরাকে বিশ্ব মানচিত্রে আরও উজ্জ্বল করবে।” তিনি আরও জানান, খেলাধুলার প্রসারে পরিবহন, হস্তশিল্প, আতিথেয়তা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন হবে এবং রাজ্য সরকার ক্রীড়া-পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ত্রিপুরা গলফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডেভিড দেববর্মা বলেন, “এই টুর্নামেন্ট শুধু খেলা নয়, বিলাসবহুল গলফ পর্যটনের দ্বার উন্মোচন করবে এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে অনুঘটকের ভূমিকা পালন করবে।”
বিমান চলাচলের সমস্যার কারণে ২৫ জন জাতীয় খেলোয়াড় আসতে না পারলেও প্রায় ৫০ জন গলফার অংশ নিয়েছেন। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে এই প্রথম জাতীয় আসর আয়োজনের মাধ্যমে ত্রিপুরা একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক স্থাপন করল। এই উদ্যোগ ক্রীড়াকে সামাজিক ও পরিবেশ-সচেতনতার মঞ্চে পরিণত করে যুবশক্তিকে নতুন দিশা দেবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
