ত্রিপুরা সরকার জনজাতি এলাকার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে, যাতে রাজ্যের সামগ্রিক অগ্রগতি সম্ভব হয়। আজ মোহনপুর পুর পরিষদ কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী রতনলাল নাথ মুখ্যমন্ত্রী জনজাতি উন্নয়ন মিশনের অধীনে মোহনপুর ও লেফুঙ্গা ব্লকের ৬৫০ জন সুবিধাভোগীকে সুতা বিতরণ করে এই প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী বলেন, জনজাতিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে। জনজাতি এলাকার বিদ্যালয়গুলিতে স্মার্ট ক্লাসরুম চালু করা হয়েছে, এবং ইংরেজি, বিজ্ঞান ও অঙ্কে দুর্বল ছাত্রছাত্রীদের জন্য ১০ মাসের বিশেষ কোচিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২৯টি বিদ্যালয় নির্মিত হয়েছে, ২২টি হোস্টেলের কাজ চলছে এবং আরও ৪৭টির নির্মাণ শুরু হবে। এছাড়া, ২১টি একলব্য বিদ্যালয় মঞ্জুর হয়েছে, যার মধ্যে ১২টি চালু হয়ে গেছে। খেলাধুলার উন্নয়নে ৩টি সিন্থেটিক ফুটবল মাঠ তৈরি হচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, জনজাতি উন্নয়ন ছাড়া ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’ সম্ভব নয়।
জনজাতি কল্যাণমন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা বলেন, সরকার জনজাতিদের সার্বিক কল্যাণে বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। পাছড়া, রিসা ইত্যাদি তৈরির জন্য জনজাতি মহিলাদের ১.৫ কেজি করে সুতা বিতরণ করা হচ্ছে। শিক্ষার উন্নয়নে নবোদয়, একলব্য স্কুল ও কলেজ খোলা হচ্ছে, এবং শীঘ্রই সিমনার নতুনবাজারে একটি একলব্য স্কুল চালু হবে।
এই উদ্যোগগুলি জনজাতি সম্প্রদায়ের শিক্ষা, অর্থনীতি ও ক্রীড়ায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আগামী বছরগুলিতে অবশিষ্ট প্রকল্পগুলি সম্পূর্ণ করে রাজ্যের সাম্যবাদী উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে, যা জাতীয় লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
