নিউজ ডেস্ক || কৃষকদের ন্যায্য মূল্য ও আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ত্রিপুরা সরকার ধর্মনগর থেকে রাজ্যভিত্তিক ন্যূনতম সহায়ক মূল্যে (এমএসপি) ধান ক্রয় কর্মসূচির সূচনা করেছে। খাদ্য সরবরাহ ও ভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর উদ্বোধনে শুরু হওয়া এই উদ্যোগে চলতি মরশুমে ১৮ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ত্রিপুরা কৃষিপ্রধান রাজ্য হলেও কৃষকরা দীর্ঘদিন ধরে বাজারের দামের ওঠানামায় লোকসানের মুখে পড়ছেন। এই সমস্যা মোকাবিলায় সরকার এই কর্মসূচি চালু করেছে। ধর্মনগরের বিবেকানন্দ সার্ধশতবার্ষিকী ভবনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী বলেন, “কৃষকদের উৎপাদিত ফসল সরকারিভাবে ন্যায্য দামে ক্রয় করে তাদের আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।” তিনি জানান, এমএসপি কেজিপ্রতি ১৭ টাকা ৫০ পয়সা থেকে বেড়ে এখন ২৩ টাকা ৬৯ পয়সা হয়েছে, যা উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্মসূচির সাফল্য নির্ভর করবে মাঠপর্যায়ের বাস্তবায়নের উপর—যেমন পর্যাপ্ত সংগ্রহ কেন্দ্র, স্বচ্ছ মাপজোক, সময়মতো অর্থ প্রদান ও দক্ষ পরিবহণ ব্যবস্থা। দেরিতে টাকা পাওয়া বা দালালচক্র সক্রিয় হলে কৃষকরা কম দামে ধান বিক্রি করতে বাধ্য হন।
এই উদ্যোগ সফল হলে কৃষকদের আর্থিক স্থিতিশীলতা ছাড়াও রাজ্যের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি শক্তিশালী হবে। সরকার এখন কেন্দ্রগুলিতে ধান সংগ্রহের প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে উদ্যোগী।
