নিউজ ডেস্ক || ত্রিপুরা রাজ্য সরকার ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা প্রজ্ঞাভবনে ‘মুখ্যমন্ত্রী সংখ্যালঘু উন্নয়ন প্রকল্প’ ২০২৫-এর উদ্বোধন করেছেন এবং ১১ জনকে ১৬ লক্ষ টাকার ঋণ বিতরণ করেছেন। এই প্রকল্পের লক্ষ্য সংখ্যালঘু পরিবারগুলিকে শিক্ষা, স্বনির্ভরতা ও ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলার মাধ্যমে শক্তিশালী করা।
অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ধর্ম নয়, ভালো কাজের মধ্য দিয়ে একজন মানুষের পরিচয় গড়ে উঠে।” তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’ নীতির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে জানান, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পগুলি যেমন প্রধানমন্ত্রী জনবিকাশ কার্যক্রমের মাধ্যমে সংখ্যালঘু এলাকায় শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানে উন্নয়ন ঘটাচ্ছে, রাজ্য সরকারও সেই পথ অনুসরণ করছে। সংখ্যালঘু কল্যাণ মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া জানান, এই প্রকল্পে প্রাথমিকভাবে ১,৫০০টি পরিবার উপকৃত হবে এবং নতুন হোস্টেল ও বৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে শিক্ষার মান উন্নয়ন করা হবে।
প্রকল্পটি সংখ্যালঘু নারীদের আত্মনির্ভরতা এবং প্রতিযোগিতামূলক শিক্ষায় জোর দিচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, “ঐক্যই উন্নয়নের চালিকা শক্তি।” অনুষ্ঠানে বিধায়ক দীপক মজুমদার, তফাজ্জল হোসেন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এই উদ্যোগের ফলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রায় উন্নতি আসবে এবং প্রধানমন্ত্রীর ‘ভোকাল ফর লোকাল’ কর্মসূচিতে তাদের ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলা যুক্ত হবে। ভবিষ্যতে আরও প্রকল্পের মাধ্যমে রাজ্যে বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্য সুদৃঢ় হবে, যা ‘এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত’ গড়ে তোলার লক্ষ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
