ত্রিপুরায় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ

1 Min Read

লুপ্তপ্রায় লোকসংস্কৃতি পুনরুজ্জীবন, নতুন প্রতিভা অনুসন্ধান ও সাংস্কৃতিক পর্যটন বিকাশে জোর

নিউজ ডেস্ক || রাজ্য সরকার তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের মাধ্যমে রাজ্যের প্রতিটি জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পরিচর্যা ও বিকাশে ধারাবাহিক উদ্যোগ গ্রহণ করছে। রাজ্যের উন্নত মিশ্র সংস্কৃতির সংরক্ষণ ও ক্রমাগত উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে বহুমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

আজ রাজ্য বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরীর এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা এ কথা জানান। তিনি বলেন, প্রতি অর্থবছরে মহকুমা, জেলা ও রাজ্যভিত্তিক সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে বার্ষিক সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডার তৈরি করা হয়। এই ক্যালেন্ডার অনুসারে নাটক, যাত্রা, শাস্ত্রীয় সংগীত, চারুকলা, পুতুল নাচ, ধামাইল, কবিতা-সাহিত্য উৎসবসহ জাতি-জনজাতির ঐতিহ্যবাহী লোকসংস্কৃতির অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। প্রয়োজনে ক্যালেন্ডার-বহির্ভূত প্রোগ্রামও করা হয়।

লুপ্তপ্রায় সাংস্কৃতিক চর্চা পুনরুজ্জীবন, লোকসংস্কৃতির প্রসার, আধুনিকতার সঙ্গে মিশ্রণ, বহিরাজ্যের সঙ্গে সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং ত্রিপুরা ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট স্থাপন রাজ্যের সাংস্কৃতিক জগতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। নতুন প্রতিভা অনুসন্ধানে অডিশনের মাধ্যমে আর্টিস্ট এমপ্যানেলমেন্ট, নিয়মিত ওয়ার্কশপ, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের প্রতিভা বিকাশ এবং সাংস্কৃতিক সংস্থাগুলিকে আর্থিক সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় জীবিকার সঙ্গে সাংস্কৃতিক চর্চার মেলবন্ধন, সাংস্কৃতিক পর্যটন বিকাশ, বিভিন্ন জেলায় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপন, সাংস্কৃতিক ম্যাপিং এবং প্রাইভেট-পাবলিক পার্টনারশিপের মাধ্যমে ট্যুরিজম ও কালচারেল হাব গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Exit mobile version