নিউজ ডেস্ক || গতকাল রাতে ধর্মনগর জেলা কংগ্রেস ভবনে আগুন লাগানোর চেষ্টার জেরে শুরু হও How উত্তেজনা আজ সকাল থেকেই রীতিমতো বিস্ফোরক আকার নিয়েছে। সংবিধান দিবস উপলক্ষে তিন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি একই সময়ে একই এলাকায় মুখোমুখি হতেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
সকালে কংগ্রেস (আই) ধর্মনগর সেন্ট্রাল রোডে দলীয় কার্যালয়ের সামনে পথ অবরোধ করে প্রতিবাদ জানায়। অবরোধ প্রত্যাহারের কিছুক্ষণ পরই বিজেপি একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করে এবং মিছিল শেষে কংগ্রেস ভবনের সামনেই পাল্টা পথ অবরোধ শুরু করে।
ঠিক সেই সময় সিপিআইএম-এর কর্মীরা সংবিধান দিবসের প্রচার কর্মসূচি শেষ করে ধর্মনগর এসডিএম অফিসের সামনে থেকে ফিরছিলেন। অভিযোগ, পথ অবরোধে থাকা প্রায় ২০০-২৫০ জন বিজেপি কর্মী হঠাৎই সিপিআইএম কর্মীদের ওপর চড়াও হয়। মাইক, বাদ্যযন্ত্র, টুকটুক ও দলীয় সামগ্রী ভাঙচুর করা হয়। লাঠি-লোহার রড নিয়ে মারধর চালানো হয়।
এই হামলায় গুরুতর আহত হন চার সিপিআইএম কর্মী—প্রাক্তন বিধায়ক অমিতাভ দত্ত, ধর্মনগর শহর সম্পাদক অভিজিৎ দে এবং আরও দুই কর্মী। তাঁরা বর্তমানে ধর্মনগর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ঘটনাস্থলে উত্তর জেলার অ্যাডিশনাল এসপি-সহ পুলিশ বাহিনী উপস্থিত থাকলেও হামলা ঠেকাতে পারেনি বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে অ্যাডিশনাল এসপি নীরব থেকে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন বলে জানা গেছে।
এরপরই বিজেপি কর্মীরা ধর্মনগর জেলা কংগ্রেস ভবনে হামলা চালায়। ভবনের ভিতরে ঢুকে আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়, কয়েকজন কংগ্রেস কর্মীকে মারধর করা হয়। আহত কংগ্রেস কর্মীরাও জেলা হাসপাতালে ভর্তি।
ক্রমাগত পথ অবরোধ, হামলা ও রাজনৈতিক সংঘর্ষে ধর্মনগর শহর উত্তাল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তীব্র প্রশ্ন উঠছে। বর্তমানে শহরজুড়ে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
