নিউজ ডেস্ক || কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন রবিবার সংসদে ৮৫ মিনিটের বাজেট বক্তৃতা দেন, যাতে সাধারণ মানুষের জন্য কোনও বড় করছাড় বা তাৎক্ষণিক স্বস্তির ঘোষণা ছিল না। পরিবর্তে, প্রতিরক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিকাঠামো এবং প্রশাসনিক সংস্কারে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের উপর জোর দেওয়া হয়েছে।
অপারেশন ‘সিন্দুর’-এর পর এটি সীতারমনের প্রথম বাজেট, যাতে ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষিতে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়িয়ে ৭.৮৫ লক্ষ কোটি টাকা করা হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ১৫.২ শতাংশ বেশি। অস্ত্র অধিগ্রহণে ২.১৯ লক্ষ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। স্বাস্থ্য খাতে ক্যান্সার এবং বিরল রোগের ওষুধে আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার করা হয়েছে, যা চিকিৎসা সহজলভ্য করবে।
পরিকাঠামোতে সাতটি হাই-স্পিড রেল করিডোরের ঘোষণা করা হয়েছে, যা শিল্প ও পর্যটনকে গতি দেবে। শিক্ষায় ডিজিটাল ল্যাব এবং নারী ক্ষমতায়নে ৮০০টি হোস্টেল নির্মাণের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। করদাতাদের জন্য সংশোধিত রিটার্নের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে ৩১ মার্চ পর্যন্ত। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন সত্ত্বেও কোনও জনমোহিনী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
এই বাজেট প্রশাসনিক ধারাবাহিকতাকে প্রাধান্য দিয়ে ভারতের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে চায়। আগামী মাসগুলিতে এর বাস্তবায়ন সরকারের সক্ষমতা পরীক্ষা করবে, যা দেশের উন্নয়নের গতিপথ নির্ধারণ করতে পারে।
