নিউজ ডেস্ক ।। গত কিছুদিনের লাগাতার বৃষ্টির ফলে ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। বাড়িঘরে জল ঢুকে পড়ায় হাজারো মানুষ গৃহহীন হয়ে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজ্যজুড়ে মোট ৭৪টি শরণার্থী শিবির খোলা হয়েছে, যেখানে ২৯৮৪টি পরিবারের ১১,৩৮৫ জন সদস্য আশ্রয় নিয়েছেন।
বন্যার কারণে বাড়িঘরেরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, রাজ্যে মোট ৬টি ঘর পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে, ১১২টি ঘর মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ৬১০টি ঘর আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
জেলাভিত্তিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ১ জুন থেকে ৩ জুন পর্যন্ত উত্তর ত্রিপুরা জেলায় ১০টি শরণার্থী শিবিরে ২৪৭ জন আশ্রয় নিয়েছেন। ঊনকোটি জেলায় ১০টি শিবিরে ১০৪৪ জন শরণার্থী রয়েছেন। পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় ৫০টি শরণার্থী শিবিরে সর্বাধিক ৯,৭৫৮ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। এছাড়া, খোয়াই জেলায় ৪টি শিবিরে ৩৩৬ জন শরণার্থী রয়েছেন।
রাজ্য সরকার ত্রাণ ও পুনর্বাসনের জন্য জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। তবে, ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন এবং ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জোরালো হচ্ছে। বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
