নিউজ ডেস্ক || উত্তর ত্রিপুরার মঙ্গলখালীতে খালেদ আহমেদ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে মঙ্গলবার সকাল থেকে এলাকা কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। হাজারো মানুষ পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে অভিযুক্তদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন।
সকাল সাড়ে নয়টা থেকে প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে মঙ্গলখালী বড় মসজিদের সামনে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করেন বিক্ষুব্ধ জনতা। অভিযুক্ত জুবেদ আহমেদ, সাদ্দাম হুসেইন ও সাব্বির হুসেইনের তিনটি বসতবাড়ি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। দমকল বাহিনীর দুটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
ঘটনার পটভূমিতে জানা যায়, গত শনিবার পবিত্র ঈদের দিন ধারালো অস্ত্র দিয়ে খালেদ আহমেদ ও তাঁর ভাই জুনেদ আহমেদের ওপর নৃশংস হামলা হয়। খালেদ শিলচর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। জুনেদ এখনও জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। হামলার পর একাধিক অভিযুক্তের নাম উঠে এলেও পুলিশ এখনও তাদের গ্রেফতার করতে পারেনি বলে অভিযোগ।
উত্তর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কমল দেববর্মা ও মহকুমা পুলিশ আধিকারিক জয়ন্ত কর্মকারসহ বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। তাঁদের আশ্বাসের পর অবরোধ প্রত্যাহার করা হয়। তবে এলাকায় এখনও চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
স্থানীয়রা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছেন—দ্রুত মূল অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করলে আন্দোলন আরও তীব্র রূপ নেবে। প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপই এখন মঙ্গলখালীর স্পর্শকাতর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার একমাত্র উপায়।
