নিউজ ডেস্ক || ত্রিপুরার মুঙ্গিয়াকামি রেল স্টেশনে দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আগরতলা-শিলচর এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতি শুরু হয়েছে শনিবার থেকে। এই সিদ্ধান্ত জনজাতি অধ্যুষিত অঞ্চলের যাতায়াত সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করবে।
মুঙ্গিয়াকামি ও পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে রেল যোগাযোগের অভাবে ভুগছিলেন। গুরুত্বপূর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেন না থামায় শিক্ষার্থী, রোগী, কর্মজীবী এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের যাতায়াত ব্যয়বহুল ও সময়সাপেক্ষ হয়ে উঠেছিল। গত ২৮ নভেম্বর ২০২৫-এ রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের কাছে লিখিত দাবি উত্থাপন করে, যার ফলে রেল দপ্তর থেকে অনুমোদন আসে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত জনজাতি কল্যাণমন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা বলেন, “তারই প্রেক্ষিতে ভারত সরকারের রেল দপ্তর থেকে আসে অনুমোদন।”
এই যাত্রাবিরতির ফলে আগরতলা ও শিলচরের সঙ্গে সহজ যোগাযোগ স্থাপিত হবে, যা শিক্ষা, চিকিৎসা এবং কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণে সহায়ক হবে। স্থানীয় অর্থনীতি চাঙ্গা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সুযোগ বাড়বে।
তবে যাত্রীসংখ্যা বৃদ্ধিতে স্টেশনের পরিকাঠামো, নিরাপত্তা এবং পরিষেবার মান বজায় রাখা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এখনই সুপরিকল্পিত পদক্ষেপ নেওয়া দরকার। সামগ্রিকভাবে, এই সিদ্ধান্ত উত্তর-পূর্ব ভারতের অবহেলিত অঞ্চলকে মূলধারার সঙ্গে যুক্ত করার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যা ভবিষ্যতে আরও উন্নয়নমূলক প্রকল্পের পথ খুলে দিতে পারে।
