নিউজ ডেস্ক || ত্রিপুরার সোনামুড়ায় অবস্থিত আব্দুল মান্নান চৌধুরীর রিহাব সেন্টারে থাকা চার যুবক তাঁর বিরুদ্ধে মারধর ও আক্রমণের অভিযোগ তুলে সাংবাদিকদের সামনে এসেছেন এবং স্থানীয় থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এই ঘটনা নেশামুক্তি কেন্দ্রগুলির পরিচালনা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রশ্ন তুলেছে।
অভিযোগকারী যুবকরা—জাকির হোসেন, মোহন মিয়া, সুরুজ মিয়া এবং মনির হোসেন—জানিয়েছেন, কেন্দ্রে তাঁদের উপর প্রচণ্ড মারধর করা হয়েছে, যার ফলে শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁরা বলেন, “মানুষকে এভাবে মারতে পারে না কেউ।” নেশামুক্তি কেন্দ্র হওয়া সত্ত্বেও এখানে কোনও প্রশিক্ষিত কর্মী বা বৈজ্ঞানিক চিকিত্সা ব্যবস্থা ছিল না, শুধুমাত্র হিংসাত্মক আচরণ।
নেশা একটি মানসিক ও আচরণগত রোগ, যা সহানুভূতিশীল চিকিত্সা, কাউন্সেলিং এবং থেরাপির মাধ্যমে নিরাময় করতে হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমন কেন্দ্র চালাতে দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ অপরিহার্য, অন্যথায় এটি কারাগারের মতো হয়ে ওঠে। এই অভিযোগ মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পুলিশ মামলা গ্রহণ করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনা নেশামুক্তি কেন্দ্রগুলির নিয়ন্ত্রণ ও লাইসেন্সিংয়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে, যাতে ভবিষ্যতে এমন অত্যাচার রোধ করা যায়।
