নিউজ ডেস্ক || রাজ্যের জনসংখ্যার কমপক্ষে ১ শতাংশ মানুষকে সিভিল ডিফেন্স স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে গড়ে তুলতে চলেছে ত্রিপুরা সরকার। শনিবার ৬৩তম সিভিল ডিফেন্স ও হোমগার্ড দিবসের রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে এই লক্ষ্যমাত্রার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহা।
বর্তমানে রাজ্যের আটটি জেলায় সিভিল ডিফেন্স প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে। এই কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে ইতিমধ্যে ৫,০০০ জন প্রশিক্ষিত স্বেচ্ছাসেবক তৈরি হয়েছে। তবে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ভবিষ্যতের চাহিদার তুলনায় এই সংখ্যা অত্যন্ত কম। তাই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় রাজ্যের মোট জনসংখ্যার অন্তত ১% নাগরিককে প্রশিক্ষিত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
কেন্দ্রীয় সরকারের বিশেষ প্রকল্পের আওতায় ‘স্বেচ্ছায় জনসেবায় আগ্রহী’ নাগরিকদের উন্নতমানের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। “আপদা মিত্র স্বেচ্ছাসেবকরা ইতিমধ্যেই জরুরি নিয়ন্ত্রণ কক্ষে দায়িত্ব পালন করছেন। বন্যা, ঝড়, ভূমিধ্বসের মতো দুর্যোগে আরও দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য এই দলগুলিকে আরও শক্তিশালী করা হবে,” বলেছেন ড. সাহা।
২০২৫-২৬ অর্থবছরে সিভিল ডিফেন্সের জন্য পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ রাখা হয়েছে। প্রশিক্ষণ সরঞ্জাম, আধুনিক প্রযুক্তি, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং স্বেচ্ছাসেবকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে এই অর্থ ব্যয় করা হবে।
রাজ্যের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বর্ষাকালীন বন্যা, ভূমিধ্বস ও ঘূর্ণিঝড়ের ঝুঁকি বেশি থাকায় এই আধুনিকীকরণ অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করছে সরকার। আগামী দিনে ত্রিপুরার এই উদ্যোগ অন্যান্য দুর্যোগপ্রবণ রাজ্যের জন্যও উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে।
