ইরানের সামরিক শক্তি দুর্বল করার দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্টের! যুদ্ধ শেষ হলে জ্বালানির দাম কমার আশ্বাস, অর্থনীতি নিয়েও বড় মন্তব্য।
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানের পক্ষে জোরালো সওয়াল করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। পাশাপাশি চিন ও রাশিয়ার উপর মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলির নজরদারি আমেরিকার উপর নজরদারির তুলনায় আরও বেশি কার্যকর বলেও দাবি করেছেন তিনি। আগামীকালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে গতকাল আইওয়া ও কানসাসে নির্বাচনী প্রচারসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন ট্রাম্প।
আইওয়ার ডুবুক শহরের সভায় চিন ও রাশিয়ার গুপ্তচরবৃত্তি নিয়ে উদ্বেগ উড়িয়ে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তাঁর দাবি, আমেরিকাও ওই দুই দেশের উপর নজরদারি চালাচ্ছে এবং সেই কাজে যথেষ্ট দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছে।
ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানের প্রসঙ্গে ট্রাম্প দাবি করেন, মার্কিন হামলায় ইরানের রাডার ব্যবস্থা, আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা এবং নেতৃত্ব কার্যত ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তাঁর কথায়, আমেরিকা এমন একটি কাজ শেষ করছে, যা তারা নিজেরা শুরু করেনি। একইসঙ্গে ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য ওয়াশিংটন উপযুক্ত ব্যক্তির সন্ধান করছে বলেও জানান তিনি।
পরবর্তী সময়ে কানসাসের সালিনা শহরের নির্বাচনী সভায় অর্থনীতির প্রসঙ্গ তুলে ধরেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, গত তিন মাসে মূল্যস্ফীতির হার কমে ১.৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের উচ্চমূল্যের জন্য পূর্ববর্তী প্রশাসনকে দায়ী করেন তিনি। পাশাপাশি জো বাইডেন ও বারাক ওবামার আমলের তুলনায় বর্তমানে তেলের দাম কম বলেও দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ হলে জ্বালানির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে বলেও আশ্বাস দেন ট্রাম্প। তাঁর মতে, আমেরিকা এবং বিশ্বের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য জ্বালানির বাড়তি দাম সাময়িকভাবে মেনে নেওয়া যেতে পারে।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের এই বক্তব্যকে ঘিরে মার্কিন রাজনীতিতে অর্থনীতি, জাতীয় নিরাপত্তা এবং ইরান সংঘাতের বিষয়গুলি নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান