তিপ্রাসা চুক্তি বাস্তবায়ন এবং ত্রিপুরার জনজাতি জনগণের ভূমির অধিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত মিলেছে। নয়াদিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী ড. মানিক সাহা এবং তিপ্রা মথার প্রতিষ্ঠাতা প্রদ্যোত বিক্রম মাণিক্য দেববর্মার মধ্যে প্রায় ৯০ মিনিটের বৈঠকের পর চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অগ্রগতির কথা সামনে এসেছে।
বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, চলতি মাস থেকেই তিপ্রাসা চুক্তি পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু করা হবে। সূত্রের দাবি, পুরো প্রক্রিয়াটি সম্ভবত দুই ধাপে বাস্তবায়িত হতে পারে।
বৈঠকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল জনজাতি জনগণের ভূমির অধিকার। ষষ্ঠ তপশিলের কাঠামোর আওতায় ত্রিপুরার তিপ্রাসা জনগণের ভূমির অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে কেন্দ্র সরকার নীতিগতভাবে সম্মতি জানিয়েছে বলে জানা গেছে। একইসঙ্গে, এই প্রক্রিয়ায় রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সামাজিক ভারসাম্য বজায় রাখার বিষয়টিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিপ্রাসা চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দাবি ছিল জনজাতি জনগণের ভূমি ও সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষিত করা। সেই দাবির ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলে ত্রিপুরার রাজনীতিতেও তার প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিশেষ করে আসন্ন ভিলেজ কাউন্সিল নির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি ও তিপ্রা মথার মধ্যে ফের রাজনৈতিক সমঝোতার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। ভূমির অধিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দাবিতে কেন্দ্রের ইতিবাচক অবস্থান দুই দলের মধ্যে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক দূরত্ব কমাতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা।
তবে চুক্তির বাস্তবায়ন কীভাবে এবং কোন কোন ধাপে হবে, তার বিস্তারিত রূপরেখা এখনও স্পষ্ট নয়। আগামী দিনে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর থাকবে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান