নতুন করে দুর্যোগের আশঙ্কা! বন্যাবিধ্বস্ত জেলাগুলিতে সতর্ক প্রশাসন, শুরু উদ্ধার ও নিরাপত্তামূলক প্রস্তুতি।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলের দিকে এগিয়ে চলেছে। এর প্রভাবে দক্ষিণ ওড়িশার একাধিক জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তর (IMD)। আগামী দু’দিন, বিশেষ করে আগামীকাল ও পরশু বৃষ্টির তীব্রতা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা জোরদার করেছে ওড়িশা সরকার। ইতিমধ্যেই রাজ্যের দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। আজ গঞ্জাম ও গজপতী-সহ ১৯টি জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। পাশাপাশি আগামীকাল ও পরশু দক্ষিণ ওড়িশার পাঁচটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে কমলা সতর্কতা।
যদিও ঘূর্ণিঝড়টির সরাসরি স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা নেই, তবুও প্রবল বৃষ্টি ও দমকা হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সম্ভাব্য বিপর্যয় মোকাবিলায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলি চিহ্নিত করে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসনগুলিকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে বালিমেলা জলাধারের গেটও খুলে দেওয়া হয়েছে।
নতুন করে বৃষ্টির জেরে গঞ্জাম, গজপতী ও কন্ধমাল জেলায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ভূমিধস, যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়া এবং নিচু এলাকায় জল জমার আশঙ্কা রয়েছে। উল্লেখ্য, এই জেলাগুলি সাম্প্রতিক বন্যার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে।
আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টির তীব্রতা কমতে পারে। তবে পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে প্রশাসন।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান