ত্রিপুরায় শারদীয় উৎসবকে সামনে রেখে সরকারি কর্মচারী ও পেনশনভোগীদের উৎসব অনুদান ৩০০ টাকা করে বাড়ানোর ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। বুধবার সচিবালয়ের প্রেস কনফারেন্স হলে সাংবাদিক সম্মেলনে এই ঘোষণা করেন অর্থমন্ত্রী প্রণজিৎ সিংহ রায়।
নতুন সিদ্ধান্তে রাজ্যের ১ লক্ষ ৪৮ হাজার ৫০১ জন নিয়মিত ও চুক্তিবদ্ধ সরকারি কর্মচারী এবং ৮৫ হাজার ৯১৬ জন পেনশনভোগী ও পারিবারিক পেনশন প্রাপক উপকৃত হবেন। অনুদান বাড়ানোর ফলে রাজ্য সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ৬ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা ব্যয় হবে।
অর্থমন্ত্রী জানান, গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি কর্মচারী, পেনশনভোগী ও পারিবারিক পেনশন প্রাপক, সরকারি পরিচালিত বিভিন্ন মন্দিরের পুরোহিত এবং অর্থ দপ্তরের অনুমোদিত ডিআরডব্লিউ কর্মীদের উৎসব অনুদান ২,১০০ টাকা থেকে বেড়ে ২,৪০০ টাকা হয়েছে।
অন্যদিকে পিটিডব্লিউ, ক্যাজুয়াল ওয়ার্কার, কন্ট্রাকচুয়াল ওয়ার্কার, অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী ও সহায়িকা, হোমগার্ড, এসপিও এবং বিভিন্ন দপ্তরের দৈনিক মজুরিভিত্তিক কর্মীদের অনুদান ২,৩১০ টাকা থেকে বেড়ে ২,৬১০ টাকা করা হয়েছে। পানীয়জল, স্বাস্থ্যবিধি ও গ্রামোন্নয়ন (পঞ্চায়েত) দপ্তরের অধীন পার্ট-টাইম পাম্প অপারেটরদের অনুদান ১,০৫০ টাকা থেকে বেড়ে ১,৩৫০ টাকা হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী জানান, ২০১৭-১৮ সালে এই উৎসব অনুদানের পরিমাণ ছিল মাত্র ৭০০ টাকা।
তবে সরকারি কর্মচারীদের ফেস্টিভল অ্যাডভান্স অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। এবছর এই অগ্রিম অনুদানের জন্য NextGen HRMS-এর মাধ্যমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এই খাতে রাজ্য সরকারের প্রায় ১৮৩ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা ব্যয় হবে।
দুর্গাপূজার পাশাপাশি বড়দিন, গড়িয়া পূজা, বুদ্ধ পূর্ণিমা, ঈদ-উজ-জোহা, বাংলা নববর্ষ, ঈদ-উল-ফিতর, গুরু নানক ও মহাবীর জন্মজয়ন্তীর জন্যও সরকারি কর্মচারীরা ফেস্টিভল অ্যাডভান্সের আবেদন করতে পারবেন। তবে একজন কর্মচারী যেকোনও একটি উৎসবের জন্য এই অগ্রিম অনুদান নিতে পারবেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে অর্থ দপ্তরের সচিব পি. কে. গোয়েল এবং অতিরিক্ত সচিব ড. আকিঞ্চন সরকার উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান