Saturday, October 10, 2026
Greetings: 15th August
বাড়ি রাজ্য মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দির প্রাঙ্গণে ত্রিপুরাসুন্দরী ফেস্টিভ্যাল, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় পর্যটন প্রসারে বিশেষ উদ্যোগ

মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দির প্রাঙ্গণে ত্রিপুরাসুন্দরী ফেস্টিভ্যাল, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় পর্যটন প্রসারে বিশেষ উদ্যোগ

মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দির প্রাঙ্গণে ত্রিপুরাসুন্দরী ফেস্টিভ্যাল, ঐতিহ্য ও ধর্মীয় পর্যটন প্রসারে বিশেষ উদ্যোগ

রাজ্যের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরা এবং ধর্মীয় পর্যটনের সম্ভাবনাকে আরও প্রসারিত করার লক্ষ্যে আয়োজিত হলো ত্রিপুরাসুন্দরী ফেস্টিভ্যাল। মহালয়ার প্রাক্‌মুহূর্তে উদয়পুরের মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দির প্রাঙ্গণে এই উৎসবকে ঘিরে ধর্মীয় আবহের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক চেতনার এক বিশেষ পরিবেশ তৈরি হয়।

প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বিধায়ক অভিষেক দেবরায়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গোমতী জেলা পরিষদের সভাধিপতি দেবল দেবরায়, সহকারী সভাধিপতি সুজন সেন, উদয়পুর পৌর পরিষদের চেয়ারপার্সন শীতল চন্দ্র মজুমদার, গোমতী জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক সুভাষ আচার্য্য, ত্রিপুরা সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের জয়েন্ট ডিরেক্টর মনোজ কান্তি সাহা এবং মাতাবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারপার্সন শিল্পী দাস-সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

উল্লেখ্য, উদয়পুরের মাতা ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দির রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় তীর্থস্থান। ধর্মীয় গুরুত্বের পাশাপাশি ত্রিপুরার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের ক্ষেত্রেও এই মন্দিরের বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। প্রতিদিন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের পাশাপাশি বহিরাজ্য থেকেও বহু পুণ্যার্থী ও পর্যটক এই পবিত্র মন্দিরে উপস্থিত হন।

ত্রিপুরাসুন্দরী ফেস্টিভ্যালের মাধ্যমে মন্দিরকেন্দ্রিক ধর্মীয় ঐতিহ্যকে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি স্থানীয় সংস্কৃতি ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ধর্মীয় পর্যটনের সঙ্গে সাংস্কৃতিক উৎসবের মেলবন্ধন ঘটিয়ে উদয়পুরকে পর্যটন মানচিত্রে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার সম্ভাবনাও এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে উঠে এসেছে।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক অভিষেক দেবরায় বলেন, মহালয়ার প্রাক্‌মুহূর্তে মায়ের পবিত্র ধামে সংস্কৃতির এই মেলবন্ধন সত্যিই এক অনন্য অনুভূতি। মাতা ত্রিপুরাসুন্দরীর পবিত্র মন্দির প্রাঙ্গণে এমন সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন রাজ্যের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নতুনভাবে তুলে ধরার সুযোগ সৃষ্টি করেছে।

এদিন বক্তব্যের মধ্য দিয়ে বিধায়ক রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমুখী কর্মকাণ্ডের কথাও তুলে ধরেন। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এ ধরনের উৎসব রাজ্যের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, পর্যটন বিকাশ এবং স্থানীয় পরিচিতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

Santosh Paul
সাংবাদিক (Journalist)

মন্তব্য সমূহ (0)

  • এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি। প্রথম মন্তব্যকারী হোন!

আপনার মতামত জানান

Captcha