রাজ্যের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলিকে পুনরুদ্ধার করতে বদ্ধপরিকর রাজ্য সরকার। এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য হলো বিভিন্ন ওয়ার্ড ও বুথ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবহেলায় পড়ে থাকা পরিত্যক্ত পুকুরগুলির সৌন্দর্যায়ন। শনিবার আগরতলার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে একটি পুকুরের সৌন্দর্যায়ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এমনই অভিমত ব্যক্ত করলেন মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পরিত্যক্ত পুকুরগুলির সৌন্দর্যায়ন করা হলে শুধু জলাশয়ের চেহারাই বদলাবে না, তার আশপাশের পরিবেশও আরও সুন্দর ও মনোরম হয়ে উঠবে। অতীতে যে পরিবেশের অভাব ছিল, এই উদ্যোগের মাধ্যমে সেই পরিবেশ ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা চলছে।
রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক পরিত্যক্ত পুকুরের সৌন্দর্যায়নের কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, শহর থেকে গ্রাম—সর্বত্র সাধারণ মানুষের জন্য পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ গড়ে তোলা। দীর্ঘদিন অবহেলায় পড়ে থাকা জলাশয়গুলিকে নতুনভাবে সাজিয়ে তোলার পাশাপাশি সেগুলির আশপাশের পরিবেশের উন্নয়নেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
পুকুরের সৌন্দর্যায়নের ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকার সামগ্রিক পরিবেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্যও গড়ে উঠবে আরও সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ।
শনিবার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে এই কর্মসূচিকে ঘিরে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যায়। পরিত্যক্ত জলাশয়গুলিকে পুনরুজ্জীবিত করে এলাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং নাগরিক পরিবেশের উন্নয়নে রাজ্য সরকারের এই উদ্যোগ বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান