ত্রিপুরা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত রাখাল শিল্ড নকআউট ফুটবল টুর্নামেন্টে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে ফরোয়ার্ড ক্লাবকে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল লাল বাহাদুর ব্যায়ামাগার। উমাকান্ত মিনি স্টেডিয়ামে নির্ধারিত সময়ে ১-১ এবং অতিরিক্ত সময় শেষে ২-২ সমতা থাকায় ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয় পেনাল্টি শুটআউটে। সেখানে ৬-৩ ব্যবধানে জয় পায় লাল বাহাদুর।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও প্রথম গোলের দেখা পেতে অপেক্ষা করতে হয় ৩৭ মিনিট পর্যন্ত। ওই সময় লাল মঙ্গল জুয়ালার গোলে এগিয়ে যায় লাল বাহাদুর ব্যায়ামাগার। প্রথমার্ধে আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধানেই বিরতিতে যায় তারা।
দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে সমতা ফেরাতে মরিয়া হয়ে ওঠে ফরোয়ার্ড ক্লাব। শেষ পর্যন্ত ৭৩ মিনিটে জন লালত্রিম রোকার গোলে ১-১ করে তারা। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের খেলা এই স্কোরলাইনেই শেষ হয়।
অতিরিক্ত সময়ে ম্যাচ আরও জমে ওঠে। ৯৫ মিনিটে অনিল সাধন জমাতিয়ার গোল ফরোয়ার্ড ক্লাবকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেয়। মনে হচ্ছিল জয় হয়তো তাদের হাতেই আসতে চলেছে। কিন্তু ম্যাচের একেবারে শেষ মুহূর্তে নাটকীয় প্রত্যাবর্তন ঘটায় লাল বাহাদুর। ১১৯ মিনিটে জাবেদ দারলং গোল করে স্কোর ২-২ করেন।
এরপর পেনাল্টি শুটআউটে লাল বাহাদুর ব্যায়ামাগার ৬-৩ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে।
ম্যাচে শৃঙ্খলাজনিত দিক থেকেও ছিল বেশ কিছু ঘটনা। রেফারি লাল বাহাদুর ব্যায়ামাগারের পাঁচজন এবং ফরোয়ার্ড ক্লাবের চারজন খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখান।
রোমাঞ্চ, পাল্টা আক্রমণ এবং শেষ মুহূর্তের নাটকীয়তায় ভরা এই ম্যাচ রাখাল শিল্ডের অন্যতম আকর্ষণীয় লড়াই হিসেবে স্মরণীয় হয়ে রইল।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান