জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর ১৫৭তম জন্মবার্ষিকীতে শুক্রবার শ্রদ্ধায় তাঁকে স্মরণ করল গোটা দেশ। এই উপলক্ষে রাজধানীর রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধীর সমাধিস্থলে আয়োজিত হয় সর্বধর্ম প্রার্থনা সভা।
সকালে সর্বধর্ম প্রার্থনা সভায় উপস্থিত হয়ে মহাত্মা গান্ধীর সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। শ্রদ্ধা জানান উপরাষ্ট্রপতি সি পি রাধাকৃষ্ণন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা, কেন্দ্রীয় আবাসন ও নগর বিষয়ক মন্ত্রী মনোহর লাল এবং দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
গান্ধীজয়ন্তী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, মহাত্মা গান্ধীর সমগ্র জীবন সত্য, অহিংসা, করুণা ও সেবার এক উজ্জ্বল দিশারি। তিনি উল্লেখ করেন, বাপুর আদর্শ যুগে যুগে মানবতার পথ দেখিয়ে যাবে। তাঁর চিরন্তন বার্তা দেশবাসীকে একটি উন্নত সমাজ এবং বিকশিত ভারত গঠনের পথে অনুপ্রাণিত করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
একই দিনে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর ১২২তম জন্মবার্ষিকীও পালিত হচ্ছে। ১৯০৪ সালের ২ অক্টোবর উত্তরপ্রদেশের তৎকালীন মুঘলসরাই, বর্তমানে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় নগরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি।
কৈশোরেই স্বাধীনতা আন্দোলনে যুক্ত হন লাল বাহাদুর শাস্ত্রী। ১৯২১ সালের অসহযোগ আন্দোলনেও অংশ নেন তিনি। স্বাধীনতার পর উত্তরপ্রদেশে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় সরকারেও গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব সামলান।
শাস্ত্রীজির জন্মবার্ষিকীতেও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিজয়ঘাটে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান তিনি।
একই দিনে দেশের দুই বিশিষ্ট নেতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীজুড়ে পালিত হয় বিভিন্ন কর্মসূচি। সত্য, অহিংসা, দেশসেবা ও জনকল্যাণের আদর্শে তাঁদের অবদানও স্মরণ করা হয়।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান