নতুন ড্রেন নির্মাণের পর থেকেই জলবন্দি হয়ে পড়েছে ধলাই জেলার একটি এলাকার জনজীবন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, অপরিকল্পিতভাবে নির্মিত ড্রেনটি আশপাশের বাড়িঘর ও উঠানের তুলনায় বেশি উঁচু হওয়ায় বৃষ্টির জল ও নোংরা জল ড্রেন দিয়ে বের হতে পারছে না। উল্টে সেই জল জমে থাকছে স্থানীয় বাসিন্দাদের বাড়ির উঠানে।
দীর্ঘদিন ধরে জল জমে থাকায় এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, জমে থাকা নোংরা জলের কারণে পানীয় জল দূষিত হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন জলবাহিত রোগের ঝুঁকিও বাড়ছে।
অন্যদিকে, নর্দমা ও রাস্তা নির্মাণে সঠিক পরিকল্পনার অভাবে এলাকার গলিটি অত্যন্ত সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ। এর ফলে জরুরি প্রয়োজনে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, সাধারণ মানুষের পায়ে হেঁটে যাতায়াত করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি নিয়ে পুর পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এবং প্রকৌশলীরা—দীপঙ্কর শর্মা ও পতিরাম ত্রিপুরা—এলাকা পরিদর্শন করেছিলেন। তখন রাস্তা ভেঙে প্রয়োজনীয় সংস্কার করে পুনরায় ঢালাই করার আশ্বাস দেওয়া হলেও, অভিযোগ অনুযায়ী গত তিন-চার মাসেও সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি।
পুর প্রশাসনের কাছ থেকে কার্যকর সমাধান না পেয়ে শেষ পর্যন্ত ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা ধলাই জেলার জেলা শাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন। দ্রুত সমস্যা সমাধান, পরিকল্পিত নিকাশি ব্যবস্থা এবং চলাচলের উপযোগী রাস্তা তৈরির দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
এখন প্রশাসনের পদক্ষেপের দিকেই তাকিয়ে রয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। তাঁদের প্রশ্ন—যে উন্নয়ন মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করার কথা, সেই নির্মাণকাজই যদি জলবন্দি ও দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তাহলে তার দায়ভার নেবে কে?
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান