শহরে অতিরিক্ত যানবাহন এবং অনিয়ন্ত্রিতভাবে ইলেকট্রিক অটোর প্রবেশের জেরে প্রতিনিয়ত বাড়ছে যানজট। এর ফলে স্কুল, কলেজ ও অফিসগামী সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে। যানজট নিয়ন্ত্রণে এবার নড়েচড়ে বসেছে ট্রাফিক বিভাগ।
শহরের নর্থ গেট সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে নিয়ম লঙ্ঘনকারী ই-অটো চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন ট্রাফিক কর্মীরা। শহরের নির্ধারিত রুট ও সীমানা মেনে চলার বিষয়ে চালকদের সতর্ক করার পাশাপাশি নিয়ম ভাঙলে ব্যবস্থা নেওয়ার বার্তাও দেওয়া হয়েছে।
ট্রাফিক বিভাগের নির্দেশিকা অনুযায়ী, মোহনপুর দিক থেকে আসা অটো রাধানগর পর্যন্ত চলাচল করতে পারবে। জিরানিয়া, চম্পকনগর ও রানীরবাজার থেকে আসা অটোর নির্ধারিত সীমা চন্দ্রপুর পর্যন্ত। অন্যদিকে আমতলী ও বিশালগড় থেকে আসা অটো নাগেরজলা বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত আসতে পারবে এবং সেখান থেকেই তাদের ফিরে যেতে হবে।
তবে নির্দিষ্ট তিনটি ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে ই-অটো শহরের ভেতরে প্রবেশ করতে পারবে। সেক্ষেত্রে অটোর সামনে ল্যামিনেটেড বোর্ড ঝুলিয়ে রাখতে হবে। শারীরিক জরুরি অবস্থা বা মেডিকেল ইমার্জেন্সি, স্কুল বা কলেজের শিক্ষার্থী বহন এবং বিমানবন্দরের যাত্রী পরিবহনের ক্ষেত্রে এই বিশেষ ছাড় প্রযোজ্য হবে।
ট্রাফিক বিভাগের এই পদক্ষেপকে দীর্ঘদিন পর স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। তবে তাঁদের মূল প্রশ্ন, এই অভিযান কি নিয়মিতভাবে চলবে, নাকি একদিনের লোকদেখানো অভিযান হিসেবেই শেষ হয়ে যাবে? যানজট থেকে স্থায়ী স্বস্তি পেতে হলে নিয়মিত নজরদারি ও কঠোরভাবে বিধিনিষেধ কার্যকর করার দাবি উঠেছে জনমহলে।
শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক বিভাগের এই উদ্যোগ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান