শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী ও নন্দোৎসব উপলক্ষে আগরতলার মঠ চৌমুহনীস্থিত ইসকন মন্দিরে ৩ থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী বিশেষ অনুষ্ঠান ও নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মসূচি ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে উৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
উৎসবের সূচনা হবে ৩ সেপ্টেম্বর বিকেল ৪টায়। পূর্বাশা প্রাঙ্গণ থেকে নগর সংকীর্তনের মাধ্যমে শুরু হবে বিশেষ শোভাযাত্রা। সন্ধ্যায় মন্দির প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে আরতি ও অধিবাস অনুষ্ঠান।
৪ সেপ্টেম্বর জন্মাষ্টমীর মূল অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত চলবে বিভিন্ন ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি। শ্রীকৃষ্ণের আবির্ভাব তিথিকে ঘিরে ভক্তদের জন্য থাকছে বিশেষ পূজা, কীর্তন ও অন্যান্য আধ্যাত্মিক আয়োজন।
এরপর ৫ সেপ্টেম্বর ইসকনের প্রতিষ্ঠাতা-আচার্য শ্রী শ্রীল প্রভুপাদের শুভ আবির্ভাব তিথি যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় উদযাপন করা হবে।
শুধু ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ গড়ে তুলতেও নেওয়া হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ। ফ্যান্সি ড্রেস, গীতা পাঠ, পেইন্টিংসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিশু-কিশোরদের মধ্যে ভারতীয় সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক ভাবধারার সঙ্গে পরিচিতি আরও গভীর করার লক্ষ্য রয়েছে উদ্যোক্তাদের।
আগরতলার পাশাপাশি ত্রিপুরার বিভিন্ন প্রান্তেও ইসকনের উদ্যোগে জন্মাষ্টমী ও নন্দোৎসব পালনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বামুটিয়া, ধর্মনগর, কুমারঘাট, বাইখোড়া এবং পালাটানা-সহ বিভিন্ন এলাকায় জাঁকজমকপূর্ণভাবে উৎসব উদযাপনের উদ্যোগ রয়েছে।
তিন দিনব্যাপী এই আয়োজনকে ঘিরে ইতিমধ্যেই ভক্ত ও সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎসাহ তৈরি হয়েছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মসূচির মেলবন্ধনে এবারের জন্মাষ্টমী উৎসব বিশেষ মাত্রা পাবে বলেই মনে করছেন আয়োজকরা।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান