রাজধানী আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকী ভবনে বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হলো ৬৫তম রাজ্যভিত্তিক শিক্ষক দিবস। শনিবার আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শিক্ষকদের অবদান ও সমাজ গঠনে তাঁদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে। প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের মন্ত্রী কিশোর বর্মন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তরের অধিকর্তা অনিমেষ দেববর্মা, দপ্তরের অন্যান্য আধিকারিক, শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং বিশিষ্ট অতিথিরা।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মন্ত্রী কিশোর বর্মন ছাত্রছাত্রীদের জীবনে শৃঙ্খলা, একাগ্রতা ও কঠোর পরিশ্রমের গুরুত্ব তুলে ধরেন। মহাভারতের অর্জুন ও তাঁর গুরু দ্রোণাচার্যের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, লক্ষ্য অর্জনের জন্য একাগ্রতা ও অধ্যবসায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পাশাপাশি শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষার প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী কর্তব্যবোধ ও নিষ্ঠার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর বক্তব্যে ছাত্রছাত্রীদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় নয়, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ করে তোলার ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, একজন শিক্ষক শুধুমাত্র পাঠদান করেন না; তিনি একজন শিক্ষার্থীর চিন্তাভাবনা, চরিত্র ও ভবিষ্যৎ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। একটি সুস্থ, মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গড়ে তুলতে শিক্ষকদের অবদান অপরিসীম।
শিক্ষক দিবসের এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের পাশাপাশি আগামী প্রজন্মকে সঠিক দিশা দেখানোর ক্ষেত্রে তাঁদের দায়িত্বের কথাও তুলে ধরা হয়।
মন্তব্য সমূহ (0)
আপনার মতামত জানান